There’s a multitude of types of irony, which finish numerous features in a text.

Now, you will find plenty and hundreds of customized writing companies on the market, where you could get tutorial papers via the internet. At our on-line company, creating documents is really a special procedure that may be in comparison to a masterpiece generation. Exploring the internet, you’ll learn countless dissertation writing assets. Continue reading “There’s a multitude of types of irony, which finish numerous features in a text.”

মিশরে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২৮, আহত অর্ধশত

আমার ক্যাম্পাস ডেস্ক: মিশরের দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ২৮ যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো অর্ধশতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন। শুক্রবার দেশটির আলেকজান্দ্রিয়া শহরে এ ঘটনা ঘটে। খবর আল আহরাম অনলাইন।

কায়রো থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনের সঙ্গে বিপরীত দিকের পোর্ট সৈয়দ থেকে আসা ট্রেনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এদিকে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতি জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় মোট নিহত বা আহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নির্দিষ্ট করা সম্ভব হয়নি।

দেশটি প্রসিকিউটর জেনারেল নাবিল সাদিক এ ঘটনায় জরুরী তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫১ জন নিহত হন। ২০১৩ সালেও একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে ১৯ জন নিহত হন।

otc cialis>

শেখ কামাল : তারুণ্যের আদর্শ

সিলভিয়া পারভিন লেনি,  শেখ কামাল জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯৪৯ সালের ৫ই আগস্ট, গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে। পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। তাঁর হাত ধরে তাঁর সম-সাময়িক লক্ষ-কোটি তরুণ দেখেছিল এক আলোর সন্ধান। তাঁর হাত ধরে ঐ সময়ের তরুণরা চলতে শুরু করেছিল আলোর পথে। অনেক বড় পরিবারের ছেলে হওয়া স্বত্বেও তিনি ছিলেন নিরহংকারী। খুব সাধারণ ছিল তাঁর জীবনযাত্রা। তাঁর বাবা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর তিনি ছিলেন সেই সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি, বাংলাদেশের জাতির পিতার সন্তান। ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট ঘাতকদের বুলেটের আঘাতে বঙ্গবন্ধুর এবং তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যের সঙ্গে তিনিও নিহত হন।

জাতির পিতার সন্তান হওয়া স্বত্বেও পরিবারের অন্য সদস্যরা ছিলেন সাধারণ মানুষের মতো। তাদের জীবন ধারণও ছিল খুব সহজ সরলতার মধ্যে। পারিবারিক বন্ধন ছিল অটুট, বন্ধুবৎসল। লেখাপড়ায় শেখ কামাল ছিলেন খুবই মেধাবী। ঢাকার শাহীন স্কুল থেকে এসএসসি এবং ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ-বিজ্ঞান বিভাগ থেকে বিএ (অনার্স) পাশ করেন। মৃত্যুর কিছুদিন আগে তিনি সমাজ বিজ্ঞানে এমএ শেষ বর্ষের পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

একটি সংস্কৃতি-মনা পরিবারে বেড়ে উঠেছিলেন তিনি। বাঙ্গালির পরিচয় যে সংস্কৃতির ঊর্ধ্বে নয় তা শেখ কামালের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি ছায়ানটের সেতার বাদন বিভাগের ছাত্র ছিলেন। মঞ্চ নাটক করতেন। সেই সাথে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ভালো সংগঠক ছিলেন। বন্ধুদের মধ্যে যারা শিল্পী ছিলেন তাদের নিয়ে “স্পন্দন শিল্পী গোষ্ঠী” নামে একটি সংগঠনও তৈরি করেছিলেন। ঢাকা থিয়েটার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তাঁর হাত ধরেই। ভাল অভিনেতা হিসেবে তাঁর সুনামও ছিল। মোট কথা পুরা-দমে একজন সংস্কৃতি-মনা ব্যক্তিত্ব ছিলেন শেখ কামাল।

শুধু কি তাই? শেখ কামাল একজন ভালো ক্রীড়া সংগঠকও ছিলেন। ছোট বেলা থেকেই তাঁর খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ ছিল প্রচণ্ড। আজকের বিখ্যাত ক্রীড়া ক্লাব “আবাহনী ক্রীড়া চক্র”-এর তিনিই প্রতিষ্ঠাতা। দক্ষ প্রশিক্ষক হিসেবে এই ক্লাবের জন্যে তিনি ফুটবল ও ক্রিকেট খেলোয়াড় সৃষ্টি, বাছাই এবং তাদের অনুশীলনের জন্য তিনি নিজেই সব দেখভাল করতেন। সবচেয়ে মজার বিশয় এই যে তিনি একজন দক্ষ সমাজ, সাংস্কৃতিক এবং ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন এবং জীবনের চলার পথে যার হাত ধরে জীবনটা শুরু করতে চেয়েছিলেন অর্থাৎ তাঁর সহধর্মীনি ছিলেন সেই সময়ের প্রখ্যাত ক্রীড়াবিদ “সুলতানা খুকু”/ ১৯৭৫ সালের ১৪ জুলাই শেখ কামাল ও সুলতানা খুকু বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।

শেখ কামাল দেশ মাতৃকার প্রতি ছিলেন শ্রদ্ধাশীল। ছিলেন দেশ প্রেমিক বাবার দেশপ্রেমিক সন্তান। তাই তো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়ীতে বসে থাকেননি। ১৯৭১ সালের ১৫ শে মার্চ রাতেই বাড়ি থেকে চলে গিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন সংগ্রামী আদর্শবাদী কর্মী ও সংগঠক হিসেবে ৬৬ এর স্বাধিকার আন্দোলন ৬৯ এর গন আন্দোলন ও ৭১ এর অসহযোগ আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ওয়ার কোর্সে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয়ে মুক্তিবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন এবং সেনা প্রধান এম এ জি ওসমানীর এডিসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন শেখ কামাল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও এই তরুণ মানুষটি থেমে থাকেননি। তিনি সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি নিয়ে পড়াশোনার দিকে আবার ঝুঁকে পড়েন এবং সেই সাথে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠন জাতীয় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন শেখ কামাল।

২৬ বছরের এক টগবগে তরুণ ছিলেন শেখ কামাল। তাঁর এই ছোট জীবন পরিধিতে তিনি ছিলেন উজ্জ্বল উদীয়মান জ্বলজ্বলে তারা। তারুণ্যের প্রতীক। এই ২৬ বছরের জীবনে অনেক কিছু করেছেন তিনি। কিন্তু তাঁকে নিয়ে হায়েনাদের চক্রান্ত থেমে থাকেনি। তাঁর নামে ব্যাংক ডাকাতির অভিযোগ এনে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে যা পরবর্তীতে টিকে থাকতে পারেনি। কারণ, ইতিহাস কখনও মিথ্যাকে প্রশ্রয় দেয় না। এ প্রসঙ্গে আমাদের দেশের বিখ্যাত অভিনেত্রী “ডলি জহুর” বলেছিলেন, আমি খুব কষ্ট পাই, অভিশাপ দেই, যখন দেখি বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে চিরকাল মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত, কাল্পনিক অভিযোগের কথা শুনি। অনেকে জানেন যে, এসব মিথ্যা ও বানোয়াট। পাছে আওয়ামীলীগ সিল লেগে যায় এই জন্যে তারা এসব সত্যের বিষয়ে মুখ খোলেননি। আর এইসব ঘটনা বের করে আনার জন্যে মিডিয়ার ভূমিকাও দরকার। কারণ, এই মিথ্যাচারের মাধ্যম ও বাহন ছিল গণমাধ্যম ও তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ছোট বোনের বান্ধবীকে নিজের বোনের মতো করে গাইড করা, অনেক রাতে নাটকের রিহার্সাল শেষ হলে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার মত দায়িত্ববোধ যে তরুণের আছে, তার সম্পর্কে ধারনা লাভ করে কঠিন কিছু না। প্রেসিডেন্টের ছেলে হয়ে যার মধ্যে ছিল না অহংকার। পকেটে টাকা না থাকলে যিনি হেটে বাড়ি ফিরতেন। তরুণ বয়সে একজন ছেলের একটি মেয়েকে ভাল লাগতেই পারে। তাইতো ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন তার মতো একজন ক্রীড়াবিদকে। ঘাতকের আঘাতে তার প্রিয় সহধর্মীনির মৃত্যু হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট।

বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর তাঁর লাশ মানুষকে দেখতে না দেওয়া, বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে ঘৃণা করতে শেখানোর যে অপচেষ্টা, শেখ কামালও অপচেষ্টার শিকার। যে লোক পয়সার অভাবে হেঁটে বাসায় ফিরত, সে লোক করবে ব্যাংক ডাকাতি? ইতিহাসকে কখনো চেপে রাখা যায় না। খুনিরা প্রথমে খুন করে, তারপর সেই খুনকে জায়েজ করার জন্যে খুন হওয়া ব্যক্তির নামে অপপ্রচার চালায়। শেখ কামালের ব্যাপারেও সেটি ঘটেছে।

শেখ কামাল একজন দক্ষ, বিচক্ষণ সংগঠক ছিলেন তাইতো যুদ্ধের ময়দানে স্বাধীন বাংলার ফুটবল ম্যানেজার তানভীর মাঝার তান্নার সাথে যুদ্ধে প্রায় আলাপ হলেই উনি বলতেন, “তান্না, আমরা কি ফিরে যেতে পারব না? দেখে নিস, স্বাধীন হলে খেলার ছবিটাই বদলে দিব আমি”। তিনি তার কথা রেখেছিলেন। ১৯৭৪ সালে আবাহনী যখন কলকাতার ঐতিহ্যবাহী আই এফ এ শীল্ড ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলতে যায় তখন আন্তর্জাতিক মাধ্যমেও তার মুগ্ধতা ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইবোনদের সাথে সম্পর্ক ছিল বন্ধুর মত। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বঙ্গমাতা বেগম মুজিব শেখ কামালকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সাথে জেলে দেখা করতে গিয়েছিলেন। এমনিতেই রাজনৈতিক কারণে পিতার সাথে তার দেখা তেমন হতো না। তাইতো জেল গেটে শেখ হাসিনা জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “বুবু তোমার আব্বাকে আমি একটু আব্বা ডাকি?” এমন একজন মানুষকে নিয়ে আমরা কত প্রোপাগান্ডাই না করেছি!

শেখ কামালের মিথ্যাচার নিয়ে যখন অনেকেই না জেনে কথা বলে, তখনই হাসি পায়। যে ব্যাংক ডাকাতির কথা বলা হয়, সেইখানে দুষ্কৃতিকারীদের ধরতে পুলিশের সাথে শেখ কামালের বন্ধু ও সিনিয়ররাও যোগ দেন। তার সাথে ছিলেন বি.এন.পির ইকবাল হাসান টুকু। তার ড্রাইভার ছিলেন সেই টুকু। জাপার কাজী ফিরোজ রশিদ ছিলেন তার সিনিয়র, তিনিও ছিলেন সেই জীপে। ঐ সময়ের “দৈনিক মর্নিং নিউজ” এর সাংবাদিক প্রয়াত এবি এম মুসা পরদিন প্রত্রিকায় এর সত্যতা প্রকাশ করেন।

পৃথিবীতে ভাল মানুষকে ভালো কাজের জন্যে জীবন দিতে হয়। অনেক ধৈর্য ত্যাগ-তিতিক্ষা কষ্ট সহ্য করতে। বঙ্গবন্ধু পরিবার তার মধ্যে অন্যতম। এদেশীয় দালাল এবং বিদেশী শক্তি এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের চক্রান্তে ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্ট সপরিবারে নিহত হন। আজ যদি শেখ কামাল বেঁচে থাকতেন কেমন হতেন তিনি? এই প্রশ্ন মনের মধ্যে খুব জাগে। ২০১৬ সালের এ আধুনিক যুগে তিনি হতেন উজ্জ্বল নক্ষত্র। এই তরুণ-সমাজকে আরও মানসিক, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ করতে কাজ করতেন। যে তরুণ তাঁর জীবনের ২৬ বছরে এত কর্ম-দীপ্ত ছিলেন, বেঁচে থাকলে হয়ত আরও কিছু করে যেতে পারতেন দেশের জন্যে। দেশের তরুণদের জন্যে। শেখ কামাল একজন ইয়ুথ আইকন। আজও, এখনও… । খুনিরা হয়তো তাঁর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু তাঁর অবদানকে মুছে দিতে পারেনি। কারণ, হিরো’জ নেভার ডাই…।

শুভ জন্মদিন শেখ কামাল।

লেখক : ডাইরেক্টর, রেডিও ঢোল, এফএম ৯৪.০, ফাউন্ডার, দ্যা লাভলি ফাউন্ডেশন।

আবাহনীকে রুখে দিয়েছে বিজেএমসি

আমার ক্যাম্পাস ডেস্ক: মোহামেডানকে হারিয়ে জয়ে ফেরা আবাহনী হোঁচট খেয়েছে পরের ম্যাচেই। শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা গোলশূন্য ড্র করেছে বিজেএমসির সঙ্গে। এই ড্রয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আরেকবার ধাক্কা খেল আকাশি-হলুদরা।

আগের তিন ম্যাচের দুটিতে হারা বিজেএমসি অপ্রত্যাশিতভাবে ১ পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়েছে ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়নদের কাছ থেকে। তবে তারা পূর্ণ পয়েন্টও পেতে পারত। শেষ বাঁশি বাজার কয়েক সেকেন্ড আগে পাশবন মোল্লার দূরপাল্লার একটি শট আবাহনীর গোলরক্ষক সোহেলের মাথার উপর দিয়ে বাইরে চলে যায় ক্রসবার ঘেঁষে। বিজেএমসির এই সুযোগ নষ্ট হওয়ার পর ড্রও একরকম স্বস্তি আবাহনীর।

চার ম্যাচের মধ্যে একটিতে হার, একটিতে ড্র-লিগের শুরুর দিকেই শঙ্কা জাগাল আবাহনীতে। পয়েন্ট টেবিলে শেখ জামাল ও চট্টগ্রাম আবাহনীর চেয়ে আরেক ধাপ পিছিয়ে পড়ল দ্রাগো মামিচের দল। চার ম্যাচে আবাহনীর পয়েন্ট ৭, বিজেএমসির ২।

আবাহনীও গোল করার মতো তেমন সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। শুরুর দিকে তারা একটা ঝাঁকুনি দিয়েছিল বিজেএমসিকে। তাতে দুটি আক্রমণও করেছিল চ্যাম্পিয়নরা। ইমন বাবুর শট পোস্টে লেগে ফিরলে এবং ওয়ালি ফয়সালের ক্রস গোলমুখে কাদায় আটকালেও কেউ বলের কাছাকাছি যেতে না পারায় বেঁচে যায় জাকারিয়া বাবুর দল।

চার ম্যাচেই পয়েন্ট নষ্ট ৫। তবে আবাহনীর ক্রোয়েশিয়ান কোচ দ্রাগো মামিচ এখনই হাল ছাড়তে নারাজ। তিনি মনে করেন না যে, আবাহনী শিরোপা দৌড় থেকে ছিটকে পড়েছে। তিনি ড্রয়ের জন্য যতটা না তার খেলোয়াড়দের দায়ী করেছেন তার চেয়ে বেশি করেছেন মাঠের অবস্থাকে- ‘এমন মাঠে ভালো ফুটবল খেলা যায় না।’

বিজেএমসির কোচ জাকারিয়া বাবুকে তেমন উচ্ছ্বসিত দেখা যায়নি ম্যাচের পর। তিনি নাকি তিন পয়েন্টের জন্য খেলেছেন এ ম্যাচে। শেষ সুযোগ নষ্টের কথা উল্লেখ করে দেশের অভিজ্ঞ এ কোচ বলেছেন, ‘আমরা তো জিততেও পারতাম।

‘উ. কোরিয়া পরিণতির কথা কল্পনাও করতে পারবে না’

আমার ক্যাম্পাস ডেস্ক:  উত্তর কোরিয়াকে ‘উন্মত্ত আগুনের মুখে’ ছুড়ে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকি ‘অতটা কড়া’ ছিল না মন্তব্য করে দেশটির বিরুদ্ধে নতুন করে আবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, উত্তর কোরিয়া যদি যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে আঘাত করার কথা চিন্তাও করে থাকে তবে এর পরিণতির কথা ভেবে দেশটির ‘খুব, খুব ভয় পাওয়া উচিত’।

ট্রাম্প বর্তমানে নিউজার্সির বেডমিনস্টারে তার গল্ফ ক্লাবে অবকাশ যাপন করছেন। সেখান থেকেই বৃহস্পতিবার ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে পাশে রেখে উত্তর কোরিয়াকে এই হুমকি দেনি তিনি। খবর এএফপির।

সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, উত্তর কোরিয়া যদি এমন কাউকে আক্রমণের চিন্তা করে- যাদের আমরা ভালোবাসি বা যারা আমাদের প্রতিনিধিত্ব করে কিংবা যারা আমাদের মিত্র, তাহলে তাদের খুবই আতঙ্কিত হতে হবে। কারণ, তাদের সঙ্গে যা করা হবে তা তারা কখনও ভাবতেও পারবে না।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক কর্মসূচি জোরদার করার প্রেক্ষিতে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র বিরোধের সৃষ্টি হয়।

গত মাসে দুটি আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া। এগুলোর আওতার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডও রয়েছে।

এরপর উত্তর কোরিয়াকে শায়েস্তা করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত একটি কঠোর অর্থনৈতিকি নিষেধাজ্ঞা অনুমোদন করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ।

এরপর উত্তর কোরিয়া এক নজিরবিহীন বিবৃতির মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।

এতে দেশটি মধ্য আগস্টের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গুয়ামে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার হুমকি দেয়।

উত্তর কোরিয়া থেকে গুয়ামের দূরত্ব তিন হাজার ৩৫৭ কিলোমিটার। তবে বিমানপথে সেখানে পৌঁছতে মাত্র ১৭ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড সময় লাগবে বলে জানায় বিবৃতিতে জানায় দেশটি।

উত্তর কোরিয়ার এ হুমকির পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট দেশটিকে অগ্নিকুণ্ডে পরিণত করার হুমকি দেন।

পরে বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও গলা চড়িয়ে উত্তর কোরিয়ার প্রতি কড়া বাক্যবাণ ছুড়ে দেন।

তবে হুমকির পাশাপাশি আবারও কূটনৈতিক উপায়ে উত্তর কোরিয়াকে থামানোর ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উত্তর কোরিয়াকে বাগে আনতে চীনের আরও অনেক কিছু করবে বলেও আশাবাদ জানান তিনি। australianpharmall.com

চীনকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, আমি আপনাদের একথা বলব যে, উত্তর কোরিয়া যদি নিজেদের অবস্থা থেকে সরে আসে তাহলে তারা ভালো করবে। অথবা তারা বিশ্বের সেসব হাতেগোনা কয়েকটি দেশের পরিণতি বরণ করবে যাদের চরম দুর্দশা ভোগ করতে হয়েছে।

অবশ্য ট্রাম্প চোটপাট করলেও বৃহস্পতিবার ক্যালিফোনির্য়ায় মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে সংলাপের ওপরই গুরুত্বারোপ করেছেন।

তিনি জানান, যদি প্রয়োজন হয় তাহলেই যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযানের কথা ভাববে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে।

ম্যাটিস বলেন, যুদ্ধের ট্রাজেডি সম্পর্কে সবাই ভালোমতোই জানে, কাউকে এটি বলার দরকার নাই যে যুদ্ধ মাত্রই ধংসাত্মক হয়ে থাকে।
এদিকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবল জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে তাতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে যোগ দেবে তার দেশ।

বিএএফ শাহীন কলেজে মাদক বিরোধী সভা

আমার ক্যাম্পাস, বিএএফ শাহীন কলেজ: বিএএফ শাহীন কলেজ ক্যাম্পাসে মাদক বিরোধী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ও বিএএফ শাহীন কলেজের যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে একাদশ শ্রেণির ২৭০ জন শিক্ষার্থী, স্কাউট এর ৩০ জন সদস্যসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকমন্ডলী উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএএফ শাহীন কলেজের এর অধ্যক্ষ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ এইচ এম আমিরুল আহসান।

আমিরুল আহসান বলেন, প্রতিদিন অনেক মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। কারণ খুঁজলে দেখা যাবে এর মধ্যে বেশিরভাগই তামাক ব্যবহারের কারণে হয়েছে। তিনি বলেন, এই সভার মধ্য দিয়ে সকলে তামাক ও মাদক বিষয়ে নিজে সচেতন হব এবং পরিবারকে সচেতন করবো তবেই এই সভার আয়োজন সার্থক হবে।

উপস্থিতির একাংশ

মাদক বিরোধী এ সভায় তামাক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক ও এর প্রভাব বিষয়ে আলোচনা করেন আহ্ছানিয়া মিশন এর প্রোগ্রাম অফিসার উম্মে জান্নাত। মাদক এর ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে সচিত্র তথ্য উপস্থাপন করেন আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পূনর্বাসন কেন্দ্রের কাউন্সেলর শারমিন আবেদীন। পরবর্তীতে উপস্থাপনা দুটির ওপর মুক্ত আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির হাতে ধূমপানমুক্ত সাইন তুলে দেন আহ্ছানিয়া মিশনের সহকারী পরিচালক মোঃ মোখলেছুর রহমান।

ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের সংহতি সমাবেশ কাল

আমার ক্যাম্পাস ডেস্ক: ডাকসুসহ সকল ছাত্র সংসদ নির্বাচন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সংহতি সমাবেশ  ডাক দিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট। ১১ আগস্ট শুক্রবার বিকাল ৪টায় শাহবাগে জাতীয় যাদুঘরের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক শ্যামল বর্মন।

বিজ্ঞপ্তিতে সংহতি সমাবেশ সফল করতে জোটের নেতা-কর্মী-সমর্থক-দরদী, ছাত্র-শিক্ষক অভিভাবকসহ সকল স্তরের জনতাকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

পাঁচ’শ নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করবে ড্যাফোডিল

আমার ক্যাম্পাস রিপোর্ট: দেশের আর্থসাজিক উন্নয়ন ও বেকার সমস্যা সমাধানে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির বিকল্প নেই। এ বিষয়টিকে মাথায় রেখে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির জন্য নতুন বিভাগ খুলে নানা কার্যক্রম হাতে নিয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। আগামী পাঁচ বছরে ৫০০ নতুন উদ্যোক্তা তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে এই ইউনিভার্সিটির ‘এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ’ বিভাগ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসকল তথ্য জানান ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ’ বিভাগ ইতিমধ্যে দুটি সেশনে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান অব্যাহত রেখেছে। এবার তৃতীয় সেশনের ভর্তি কার্যাক্রম আজ থেকে শুরু করেছে। প্রথম দুটি সেশনে মোট ১৪ জনকে স্কলারশিপ দিয়ে অধ্যয়নের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এবার আরও ২০জনকে স্কলারশিপ দিয়ে অধ্যয়নের সুযোগ দেওয়ার জন্য কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।

উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী তরুনদের খুজে বের করতে “Are You the Next Startup” শিরোনামে রিয়েলিটি শো’র মত করে মেধা অন্বেষণ শুরু করে ইউনিভার্সিটি।আর এতে বিজয়ীদেরকে স্কলারশিপ দিয়ে ‘এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ’ বিভাগে অধ্যয়নের সুযোগ দেয়া হয়।

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যের বিষয়ে জানানো হয়, যুব সমাজকে উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে মূলধারার সাথে সমন্বিত করে শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান করে দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করা।

সবুর খান বলেন, এ বিভাগ থেকে পাস করে আমাদের তত্তাবধানে পাঁচলক্ষ টাকা পুজি নিয়ে ব্যাবসা শুরু করতে পারবে আমাদের শিক্ষার্থীরা।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের জানাশুনায় যদি কোন মেধাবী শিক্ষার্থী থাকে, যারা পরিবারকে সাপোর্ট দেওয়ার চিন্তা করে পড়াশুনা বাদ দিয়ে ব্যাবসা শুরু করেছে, তাহলে আমাদেরকে জানাবেন আমরা ঐ শিক্ষার্থী এবং তার পরিবারের দায়িত্ব নিব। সে যেন পড়াশুনা করেও পরিবারকে সাপোর্ট দিতে পারে সে ব্যবস্থা আমরা করে দিব।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, স্টুডেন্ট এফেয়ার্স পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান, ‘এন্ট্রাপ্রেনিউরশীপ’ বিভাগের প্রধান সৈয়দ মারুফ রেজা।

ভর্তি পক্রিয়া এবং “Are You the Next Startup?- Season 03” স্কলারশিপের জন্য নির্বাচন পদ্বতি নিন্মে তুলে ধরা হলো:

অনলাইনে দরখাস্ত আহ্বান শুরু: ১০ আগস্ট ২০১৭

অনলাইনে দরখাস্ত জমা দেওয়ার শেষ তারিখ: ৩১ আগষ্ট ২০১৭

অনলাইন প্রাক নির্বাচনী রাউন্ড শুরু: ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অনলাইনে প্রাক নির্বাচনী রাউন্ড শেষ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা প্রনয়ণ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নির্বাচিত প্রার্থীদের অবহিতকরণ: ১০-১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

আইস ব্রেকিং সেশন: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

গ্রুমিং ও বুস্ট আপ ক্যাম্প: ১৭-১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

চুড়ান্ত নির্বাচনী পর্ব: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বৃত্তি প্রদান ও ভর্তি: ২৩-২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ক্লাস ও কার্যক্রম শুরু: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

রেজিস্ট্রেশন লিংক: http://next-startup.net

 

 

বরুড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও পুনর্মিলনীর প্রস্তুতি

আমার ক্যাম্পাস, কুমিল্লা: কুমিল্লা জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে দুইদিনব্যাপী ‘সুবর্ণজয়ন্তী ও অ্যালুমনাস পুনর্মিলনী’ অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২০১৮ সালে ৬ ও ৭ জানুয়ারি এ অনুষ্ঠানের দিন ধার্য করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজনের জন্য ইতিমধ্যে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জুনাব আলীর নেতৃত্বে উদযাপন পরিষদ, উপদেষ্টা পরিষদ, বিভিন্ন উপ-কমিটি ও প্রত্যেক ব্যাচের ‘ব্যাচ কো-অর্ডিনেশন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার ঢাকার কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক অনুষ্ঠানে লোগো উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুলের অ্যালুমনাস, সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব জনাব মনীন্দ্র কিশোর মজুমদার।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর উপ-সচিব জনাব শাহ আলম, স্কুলের অ্যালুমনাস মিজানুর রহমান, হুমায়ুন কবির ভুইয়া, শাহনুর আলম, ডা. হান্নান, এএসএম ফেরদৌসুর রহমান, মিজানুর রহমান ফরহাদ, জিএম মোর্শেদ, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, আবদুর রহিম, আলী হোসেন, কেশব রায় চৌধুরী, রিয়াজুল ইসলাম চৌধুরী, ডক্টর জাকির, ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী, মেহেদী হাসান শিশির, মো. জাকির হোসেন, আবদুল্লাহ হিল বাকী, গোলাম ফারুক রুবেল, ডা. আশিষ শর্মা ও মিনহাজুল আবেদীন মিশুসহ আরও অনেকে।

অর্থ বরাদ্দ নেই, কার্যক্রম শুরু করতে পারছেনা রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

আমার ক্যাম্পাস রিপোর্ট: এ বছর শুরু হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের দাফতরিক কার্যক্রম। ২০১৭-১৮ অর্থবছর থেকেই উত্তরাঞ্চলের সব সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান সদ্য প্রতিষ্ঠিত রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হবে। এজন্য ভাইস চ্যান্সেলরও (ভিসি) নিয়োগ হয়েছে। কিন্তু কাজে গতি নেই। রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এখনও কোনো টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে অন্যান্য কার্যক্রম শুরু করা যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সচিব একরামুল হককে ডেপুটেশনে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পদায়ন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এখন পর্যন্ত সরকারের একটি টাকাও বরাদ্দ পায়নি। এমনকি নেই কোনো ব্যাংক হিসাবও। অর্থ বরাদ্দ পেলে তারা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ব্যাংকে হিসাব খুলবেন। এখন টাকার অভাবে দাফতরিক কাজ তেমন এগোচ্ছে না। এখন একটা কলম কিংবা কিছু কাগজের দরকার পড়লেও মেডিকেল কলেজ থেকে নিয়ে কাজ চালাতে হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কেনার সামর্থ না থাকায় কম্পিউটার দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। আর ফার্নিচার দিয়েছে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইন্সটিটিউট।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে সংসদে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস হয়। পরে এর গেজেট প্রকাশিত হয়। এরপর চলতি বছরের ১০ এপ্রিল নিয়োগ দেয়া হয় ভিসি। ৩০ এপ্রিল এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি হিসেবে যোগদান করেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মাসুম হাবিব। তবে এখন পর্যন্ত রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী কোনো ভবন নেই। সম্প্রতি রাজশাহী মেডিকেল ক্যাম্পাসের নার্সিং কন্টিনিউইং সেন্টারের দ্বিতীয় তলার ১১টি কক্ষে এর অস্থায়ী অফিস খোলা হয়েছে। তবে সেগুলো এখনও ব্যবহারের অনুপযোগী। সেগুলো সংস্কারের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে গণপূর্ত অধিদফতর। আর মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য জায়গা পছন্দ করা হয়েছে নগরীর বড় বনগ্রাম মৌজায়।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রায় ৮৩ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইন্সটিটিউটকে করা হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের লিঁয়াজো অফিস। সম্প্রতি ভিসি নিয়োগের পর রামেকের সচিবসহ চার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ডেপুটেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ে পদায়ন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে গতি আনতে প্রয়োজন আরও জনবল। কিন্তু টাকার অভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়াও শুরু করা যাচ্ছে না।
রামেকের সচিব একরামুল হক বলেন, এরই মধ্যে তারা রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পাঁচ কোটি টাকার চাহিদা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে। সেখান থেকে সাড়ে তিন কোটি টাকার জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে সরকারের কাছে। কিন্তু এখনও মেলেনি কোনো টাকা। ফলে নিজস্ব অর্থ না থাকায় তারা দাফতরিক কাজে গতি আনতে পারছেন না।

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর মাসুম হাবিব পবিত্র হজ পালনে গেছেন সৌদি আরব। তার দায়িত্ব পালন করছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ইসমাইল খান। তবে তিনি রাজশাহী আসেন না। তাই এ ব্যাপারে তার সঙ্গে কথা বলা যায়নি। তবে রামেকের সাবেক উপাধ্যক্ষ ডা. নওশাদ আলী বলেছেন, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করতে চাইলে অর্থেরও বরাদ্দ করা দরকার। মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হলে রাজশাহী অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থায় আরও উন্নতি হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেই থাকবে এক হাজার শয্যার একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এখন যেসব রোগী ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়, সেসব রোগী তখন পাঠানো হবে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরও আগের মতোই এমবিবিএস চিকিৎসক তৈরি করবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ। আর মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন, সার্জারি, বেসিক সায়েন্স, প্যারা ক্লিনিক্যাল সায়েন্স, ডেন্টাল, নার্সিং, বায়োটেকনোলজি, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল টেকনোলজি ও প্রিভেনটিভ অ্যান্ড সোস্যাল মেডিসিন অনুষদের মাধ্যমে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর শিক্ষা ও গবেষণার ব্যবস্থা থাকবে।

সেই সঙ্গে দক্ষ নার্স তৈরির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি নার্সিং ইন্সটিটিউটও স্থাপন করা হবে। তবে নগরীর বড় বনগ্রাম মৌজায় পছন্দ করা জমিতে নিজস্ব ক্যাম্পাস ও হাসপাতাল তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এসবের কিছুই হবে না। ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার পরও ধীরে ধীরে সব অনুষদ চালু করতে সময় লাগবে বেশ কিছু দিন।