ডুয়েট শিক্ষক সমিতির নির্বাচন: সভাপতি রাজু, সম্পাদক ওবায়দুর

আমার ক্যাম্পাস, ডুয়েট: গাজীপুরে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক বিভাগের অধ্যাপক ড. রাজু আহমেদ এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক পদে সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে শিক্ষক সমিতির ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ কমিটির অন্যান্য পদের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন- সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদের, যুগ্ম সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ প্রভাষক মো. মাজহারুল আলম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রভাষক মো. সুমন মিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক তন্ময় কুমার পাল, মহিলা সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোছা. নাসরিন আখতার নির্বাচিত হন।

এছাড়া সদস্য পদে অধ্যাপক ড. গণেশ চন্দ্র সাহা, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী ও সহযোগী অধ্যাপক নাঈম মো. লুৎফুল হক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম এবং সহকারী নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল কাশেম ও সহকারী অধ্যাপক ড. মো. শিবলী আনোয়ার।

নতুন এই কমিটি আগামী এক বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

ভালোবাসায় সিক্ত বিশ্বসেরা হাফেজ ত্বরিকুল

আমার ক্যাম্পাস রিপোর্ট: দুবাইয়ে ২১তম আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হাফেজ ত্বরিকুল ইসলাম বিশ্বসেরা নির্বাচিত হয়েছেন। বিশ্বের ১০৪টি রাষ্ট্র এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

পবিত্র মাহে রমজানের প্রথম দিন থেকে শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতার ফলাফল বৃহস্পতিবার রাতে ঘোষণা করা হয়।

তিনি রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর হাফেজ ক্বারী নেছার আহমদ আন নাছিরী পরিচালিত মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসার ছাত্র।

হাফেজ ক্বারী নেছার আহমদ আন নাছিরী জানান, পুরস্কার স্বরূপ সে প্রায় ৬০ লাখ টাকা পেয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বিমানবন্দরে এসময় বিমানবন্দর এলাকায় তাকে একনজর দেখার জন্য জনতার ভিড় উপচে পড়ে।

মাত্র ১৩ বছর বয়সী এ হাফেজের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি মালিগাঁও গ্রামে। তার বাবা আবু বকর সিদ্দিক স্থানীয় হাইস্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া আবু বকর সিদ্দিক বর্তমানে অবসরকালীন জীবনে একটি কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছেন।

কিশোর হাফেজের গর্বিত পিতা আবু বকর সিদ্দিক তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, আমার ছেলে দেশের জন্য যে সম্মান ও গৌরব বয়ে এনেছে তার জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে আমি শুকরিয়া আদায় করছি।

তিনি আরও জানান, ত্বরিকুল ইসলাম আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে বৃত্তি পেয়েছে। এবার সে জেডিসি পরীক্ষার্থী। তিনি দেশবাসীর কাছে তার ছেলের জন্য দোয়া চান।

তিনি জানান, তার চার মেয়ে ও ৩ ছেলে। ছেলেদের মধ্যে ত্বরিকুল সবার বড়। এর মধ্যে এক ছেলে ২২ পাড়া মুখস্ত করেছে। অন্য একজন এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী।

ত্বরিকুলের ছোট ভাই আরিফুল ইসলাম জানান, জাতীয়ভাবে অনেক পুরস্কার পাওয়ার পর ত্বরিকুলের স্বপ্ন ছিল আন্তর্জাতিকভাবে পুরস্কার পাওয়ার। সে স্বপ্ন আল্লাহ পূর্ণ করেছেন। এখন তার আরেকটি স্বপ্ন হল মিশরের আল আযহার ইউনিভার্সিটিতে পড়ার।

শুক্রবার বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে তিনি বিমানবন্দর এলাকায় অবতরণ করার পর তার শিক্ষক, সহপাঠীরা তাকে সংবর্ধনা জানান। এ সময় বিমানবন্দর এলাকায় তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে যায়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি ও দাওয়াহ বিভাগের উপ-পরিচালক আনিছুর রহমান সরকার, মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল ক্যাডেট মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ ক্বারী নেছার আহমদ আন নাছিরী, মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ রহমতউল্লাহ, হেমায়েত ইসলাম জনকল্যাণ পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ শামীম আহমেদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি ছাত্রের বিশ্ব জয়

আমার ক্যাম্পাস রিপোর্ট: দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় ১০৩ জন প্রতিযোগির মধ্যে ১ম স্থান অধিকার করেছে বাংলাদেশের কৃতি শিক্ষার্থী হাফেজ তরিকুল ইসলাম।

তার বয়স ১৩ বছর। সে মারকাযুত তাহফিজ ইন্টার ন্যাশনাল মাদ্রাসা যাত্রবাড়ী থেকে এ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করে।
প্রতি বছরই আন্তর্জাতিক ভাবে বিভিন্ন দেশের হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ছাত্ররা অংশ গ্রহন করে থাকে। এবং অনেক সময় ভালো ফলাফল করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার প্রথম স্থান অধিকার করলো এই কৃতি শিক্ষার্থী।

দুবাই প্রশাসনের শীর্ষ ব্যক্তিত্ব শেখ আহমদ বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম দুবাই সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান সমিতির অডিটোরিয়ামে জাকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানে তরিকুল ইসলামসহ অন্যান্য বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের বাদশাহ সালমানকে এ বছরে শ্রেষ্ঠ ইসলামী ব্যক্তিত্ব হিসেবেও সম্মাননা দেয়া হয়, বাদশাহর প্রতিনিধি সেটি গ্রহণ করেন। এ দিন এ প্রতিযোগীতা উপভোগ করতে দেশটির গণমান্য ব্যক্তিরা মিলনায়তনে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জাতীয় প্রতিযোগিতায় শীর্ষস্থান অর্জনের পর এ বাংলাদেশি কিশোর দুবাইয়ে এ কৃতিত্ব দেখালেন। তার পরের স্থানে সেরা খেতাব অর্জন করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগী হুজাইফা সিদ্দিকী, তিনি পান দুই লাখ দিরহাম। সেই সাথে তিনি ‘বেস্ট ভয়েস’ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন।

তৃতীয় স্থান অধিকার করেন যৌথভাবে গাম্বিয়ার মোডউই জবি এবং সৌদি আরবের আবদুল আজিজ আল ওবায়দান এবং তিউনিশিয়ার রশিদ আলানি। তারা পুরস্কারের দেড় লাখ দিরহাম ভাগাভাগি করে নেন। এ প্রতিযোগিতায় দশম স্থান পর্যন্ত প্রতিযোগীদের পুরস্কৃত করা হয়েছে।

পুরস্কার নিচ্ছেন বিজয়ী শিক্ষার্থী হাফেজ তরিকুল ইসলাম।

ইতিমধ্যে এই খবরটি ফেজবুকে বেশ আলোচিত হচ্ছে।

তুহিন মাজহার নামে এক ফেইসবুক ইউজার লিখেছেন
, ’সবাই জানুক আরেকটি বিজয়ের গল্প! ৮ টি দলের সাথে লড়ে সেমিতে হেরেছে বাংলাদেশ 😰 কিন্তু আরেকটি সুখবর যে আছে! ১০৫ টি দেশের সাথে কম্পিটিশন করে যে আজ বিজয় চিনিয়ে আনলো আমাদের গর্ব মাত্র ১৫ বছর বয়সী হাফিয তরিকুল ইসলাম। ক্ষুদে হাফিয তরিকুল ইসলাম দুবাইয়ে সদ্য অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান লাভ করে। আলহামদুলিল্লাহ্‌ 💜 অভিনন্দন অবিরাম 💜 একটি শৈল্পিক সভ্যতা নির্মাণের শিল্পী এরা। এতো বড় অর্জন। তবু নেই কোনো রাষ্ট্রীয় সংবর্ধণা 😰 তবুও এরাও আমাদের গর্ব। দারুণভাবে আনন্দিত আমরা।’

শেখ কারি মোহাম্মদউল্লাহ নামে একজন লিখেছেন, আবারো বাংলাদেশের বিশ্ব জয়, বাংলাদেশ ১ম স্হান অধিকার করেছে,,,, খাল্লি বাল্লি ক্রিকেট, কোরআনেতো প্রথম হয়েছে বাংলাদেশ?? ।

অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ ভিডিও দেখুন: https://youtu.be/NW_j7fDxIsA?t=37

বিটেকে নতুন প্রিন্সিপাল ইঞ্জি. মহিবুল ইসলাম

আমার ক্যাম্পাস,বিটেক: টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (বিটেক) নতুন প্রিন্সিপাল (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে যোগদান করেছেন ইঞ্জি. মো. মহিবুল ইসলাম। তিনি সাবেক প্রিন্সিপাল ড. ইঞ্জি. মো. আতাউল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) বিটেকের তৃতীয় প্রিন্সিপাল হিসেবে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। এ সময় সদ্যবিদায়ী প্রিন্সিপাল ড. ইঞ্জি. মো. আতাউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। তাকে শিক্ষকদের পক্ থেকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানো হয়।

কর্মজীবনে মহিবুল ইসলাম বরিশাল শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে চিফ ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে, চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, টাঙ্গাইল টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, দিনাজপুর টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বস্ত্র পরিদফতরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

তিনি বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (পূর্বনাম- কলেজ অব টেক্সটাইল টেকনোলজি) থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে শিক্ষাগ্রহণ শেষ করে ১৯৮৭ সালে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। তার জন্মস্থান বরিশালে।

বিটেকে আসার আগে তিনি চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে প্রিন্সিপাল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নতুন দায়িত্ব পালনে ইঞ্জি. মহিবুল ইসলাম সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ’ঘাসফুলে’র ঈদ উপহার

আমার ক্যাম্পাস, ঢাবি: বাবা-মায়ের হাত ধরে অভিজাত শপিংমলে ঘুরে নিজের জন্য ঈদ বস্ত্র পছন্দ করা হয়নি তাদের কখনো। এমন সুযোগ তাদের কাছে মিছে মনে হয়। কারণ তিনবেলা যেখানে খাবার জুটে না সেখানে বস্ত্রেরতো প্রশ্নই আসে না। কিন্তু ইচ্ছে কিংবা চাহিদাতো তাদেরও থাকে। শুধু বাস্তবে রূপ নেয় না সে ইচ্ছের।

এমনই সুবিধাবঞ্চিত ও দুস্থ শিশুদের ঈদবস্ত্র উপহার দিয়েছে ঘাসফুল নামে একটি সামাজিক সংগঠন। লক্ষ্য অন্য সবার মতো ঈদের খুশিতে হাসুক তারাও।

বৃহস্পতিবার ঘাসফুল আয়োজিত ‘ঈদ উৎসব-২০১৭-তে প্রধান অতিথি হিসেবে সুবিধাবঞ্চিত ও দুস্থ শিশুদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। ঢাবির ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) ক্যাফেটেরিয়ায় এই বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার এনামুজ্জামান, টিএসসি পরিচালক মহিউজ্জামান ময়না ও ঘাসফুলের সদস্যরা।

উপাচার্য ঈদ উপলক্ষে ঘাসফুলের এ আয়োজনের প্রশংসা করেন। বলেন, সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে তরুণদের এসব কাজের মধ্য দিয়ে এগিয়ে আসেত হবে। দাঁড়াতে হবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে।

ফেডারেশন নিয়ে বিভক্ত ঢাবি শিক্ষক সমিতি

আমার ক্যাম্পাস, ঢাবি: বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সঙ্গে নিজেদের থাকা না থাকা নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষক সমিতি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রহমত উল্যাহ নিজের একক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।’

যদিও সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি কীভাবে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেন তা জানা নেই। যদি শিক্ষক সমিতির এমন কোনো সিদ্ধান্ত হতো তাহলে ইতোপূর্বে সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির ন্যায় আজকের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেও সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর থাকত। কিন্তু আজকের বিজ্ঞপ্তিতে এমনটা হয়নি। এটা উনার বক্তব্য হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির আজকের সভায় ফেডারেশনের যে কমিটি গঠিত হয়েছে সে বিষয়ে একটি অবজারবেশন আছে, সেটি ঈদের পরে আরেকটা সভা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্পর্ক ছিন্নের সিদ্ধান্ত হয়নি।’

সমিতির সাধারণ সম্পাদকের একক স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, ‘বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ভবনে সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা গতকাল (বুধবার) ‘অনিয়মতান্ত্রিকভাবে’ গঠিত বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটির (২০১৭-১৮) সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি কোনো সম্পর্ক না রাখার ব্যাপারে মত দেন। এমতাবস্তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ওই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।’

এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রহমত উল্যার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। এদিকে অধ্যাপক রহমত উল্যাহর সমিতির সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠানো নিয়ে শিক্ষকরা বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

অনেকে বিষয়টিকে শিক্ষক নেতাদের নোংরামি বলে মন্তব্য করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অধ্যাপক বলেন, ‘সমিতির প্যাড ব্যবহার করে সাধারণ সম্পাদকের এ ধরনের বিজ্ঞপ্তি দেয়া ঠিক হয়নি।’

কুবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

আমার ক্যাম্পাস, কুবি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপাচার্য এক শিক্ষককে গালাগাল ও লাঞ্ছিত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন লাঞ্ছনার শিকার রসায়ন বিভাগের শিক্ষক আতিকুর রহমান। এদিকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শিক্ষক সমিতি।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রজেক্ট প্রপোজাল স্বাক্ষরের জন্য তার কয়েকজন সহকর্মী নিয়ে বুধবার উপাচার্যের কার্যালয়ে যান।

কথা বলার এক পর্যায়ে উপাচার্য ওই শিক্ষকের ওপর ক্ষেপে গিয়ে তাকে ‘তুই তুকারি’করতে থাকেন। এসময় উপাচার্য বলেন, তুই রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতি, আমি তোরে নিয়োগ দিছি। এখন তুই আমার বিরুদ্ধে কথা বলস।তোরা হারছস আর আমি জিতসি আবার খেলা হবে তোদের সাথে। এঘটনায় ওই শিক্ষক চরমভাবে অপমানিত এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেন।

এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড.আবু তাহের বলেন, শিক্ষকদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করছে। উপাচার্য এর আগেও শিক্ষকদের সন্ত্রাসী বলে অভিহিত করেছেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলী আশরাফ বলেন, লিখিত অভিযোগের বিষয়ে আমি এখনও কিছু জানি না। আর শিক্ষকের সঙ্গে অসদাচারনের বিষয়ে কোন মন্তব্য করব না। উল্লেখ্য, এর আগেও গত ১০ মার্চ ৬৫তম সিন্ডিকেটের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সন্ত্রাসী বলে গালাগালি করেন উপাচার্য।

স্টামফোর্ড মাদক বিরোধী ফোরামের ইফতার

আমার ক্যাম্পাস, স্টামফাের্ড: দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসের প্রথম মাদকবিরোধী সংগঠন “স্টামফোর্ড মাদকবিরোধী ফোরাম” এর আয়োজনে অনুষ্টিত হলো ইফতার ও দোয়া অনুষ্টান। গতকাল বৃহঃস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের একটি কক্ষে সংগঠনের এই ইফতার অনুষ্ঠিত হয়।

ফোরামের সাধারন সম্পাদক বেনজির আবরারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর মুকুল জ্যতি চাকমা। এসময় অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিরোধ শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক পারভীন আক্তার, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার উপদেষ্টা রেহানা আক্তার, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্য ফোরামের কনভেনর মোকাররকম হোসেন চৌধুরী, বিজনেস এডমিনিষ্ট্রেশন বিভাগের শিক্ষক শবনম মোস্তারী। পুরো আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন ফোরাম সভাপতি রাখিল খোন্দকার নিশান। ইফতার পরবর্তী মতবিনিময়ে ফোরামের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন ক্লাবের সিনিয়র এসিসটেন্ট কো-অর্ডিনেটর নাসির উদ্দিন, এসিসটেন্ট কো-অর্ডিনেটর মনিরুল ইসলাম এবং হাসান মিলু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর মুকুল জ্যতি চাকমা বলেন, “স্টামফোর্ডই প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় যারা এরকম ফোরাম করেছে। আমাদের একার পক্ষে সম্ভব নয় মাদক প্রতিরোধ করা, স্টামফোর্ডের ইতিহাস সৃষ্টিকারী সংগঠনটি বাকি সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে আমি মনে করি।” তিনি এবং পারভীন আক্তার দুজনই স্টামফোর্ড মাদকবিরোধী ফোরামের পাশে থাকার ঘোষনা দেন।

ফোরামের সভাপতি রাখিল খোন্দকার বলেন, “আজকের ইফতার আয়োজন সম্পূর্ন ঘরোয়া পরিবেশে হয়েছে, এরকম আয়োজনে দুজন বিশিষ্ট ব্যাক্তির পদচারন আমাদের সংগঠনের জন্য বিশেষ পাওয়া।” তিনি বিশেষ সহযোগীতার জন্য ফোরামের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।

মহানবীকে কটূক্তি, জাবি ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

অামর ক্যাম্পাস, জাবি: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদকে (সা.) কটূক্তি করায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক ছাত্রলীগ নেতা পল্লব আহমেদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার রাতে মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয়ে এক অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় গ্রেফতার হয়েছে বলে শিবালয় থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন।

গ্রেফতারকৃত পল্লব আহমেদ শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) ৪০তম ব্যাচের এবং মওলানা ভাসানী হলে আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন।

জানা যায়, গত ২৪ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পল্লব আহমেদ তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে রাসূলকে (সা.) নিয়ে এমন আপত্তিকর মন্তব্য করেন।

এর প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা তার বিচার দাবি করেন।

পরবর্তীতে ওই স্ট্যাটাস প্রত্যাহার করে নিয়ে সবার কাছে ক্ষমা চান পল্লব। কিন্তু ওই স্টাটাস প্রত্যাহার করে নিলেও আবার ফেসবুকে একাধিক ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে মদ, গাজা ও হেরোইন সেবনের অভিযোগে পল্লবকে হল থেকে বের করে দিয়েছিল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রলীগের ৫ নেতাকর্মী বহিষ্কার

আমার ক্যাম্পাস, ঢাবি:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলে এক শিক্ষার্থীকে অহেতুক মারধরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিসহ পাঁচ নেতাকর্মীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. এম আমজাদ আলী এ তথ্য জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন। এর আগে এই পাঁচজনসহ আরও তিনজনকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছিল হল কর্তৃপক্ষ।

সাময়িক বহিষ্কৃতরা হলেন- ঘটনার মূলহোতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও ভাষা বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম আরিফ, আহসান হাবিব সজীব (আইন বিভাগ, ৩য় বর্ষ), আবু ইউনূস (ইসলামিক স্টাডিজ, ৩য় বর্ষ), কাজী তানভীর আহমেদ (২য় বর্ষ, ভাষা বিজ্ঞান) এবং সামচিতা ব্রীজ প্রান্ত (শিক্ষা ও গবেষণা, ২য় বর্ষ)।

অধ্যাপক আমজাদ আলী বলেন, নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ইসমাইল আহমেদ মুবিনকে মারধরের ঘটনায় তাদের পাঁচজনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। মৌখিকভাবে উপাচার্য এ অনুমোদন দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্রলীগ নেতা আরিফের গায়ে ধাক্কা দেয়ার অভিযোগ এনে ওই শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করে হল ছাত্রলীগের সভাপতি ফকির রাসেল আহমেদের অনুসারী কয়েকজন কর্মী আর ওই ছাত্রলীগ নেতা। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। এসময় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল বলে চিকিৎসক জানায়।

image missing image missing