ঢাকাস্থ চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের ইফতার অনুষ্ঠিত

সম্প্রতি ঢাকাস্থ চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ এর বাৎসরিক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল রাজধানীর ইন্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের সেমিনার কক্ষে অনুষ্টিত হয়েছে।

সভাটি সংগঠনের তিনশতাধিক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিবের সার্বিক সহযোগীতায় অনুষ্ঠিত হয় ।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এবিএমএ বাহার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রেলমন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব একেএমজি কিবরিয়া মজুমদার, সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট আব্দুল মান্নান,জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ উপ কমিটির সাবেক সহ সম্পাদক জনাব কামরুল হাসান মুরাদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ পরিচালক জয়নাল আবেদিন খান স্যার, আরও উপস্থিত ছিলেন মাননীয় রেলপথমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, দৈনিক ময়নামতি সম্পাদক এসএন ইউসুফ।এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক আবদুল মমিন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধান অতিথি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এবিএমএ বাহার বলেন, “ঢাকাস্থ চৌদ্দগ্রাম ছাত্রকল্যান হোক চৌদ্দগ্রামের শিক্ষার্থীদের প্রাণের সংগঠন, সংগঠনের সকলকাজে উপজেলা পরিষদ পাশে থাকবে।”

রেলপথমন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব একেএমজি কিবরিয়া মজুমদার বলেন,”সংগঠনটির সদস্যরা বেশীরভাগই ঢাবি, জাবি, জবি, ড্যাফোডিল এবং স্টামফোর্ডসহ ঢাকাস্থ উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্টানে পড়ুয়া,যাদের বাড়ি চৌদ্দগ্রাম।আমি চৌদ্দগ্রামের সন্তান হিসেবে চাইবো, আপনারা এলাকায় যাবেন নিয়মিত এবং সংগঠনটির প্রচারনা করে সদস্য বাড়াবেন।”

এছাড়া অতিথিবৃন্দ সংগঠনের সফলতা কামনা করে নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে নির্দেশনা দেন।সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি ইন্জিনিয়ার মো. ইদ্রিস আকাশ বলেন,” শুকরিয়া আদায় করছি অত বড় আয়োজনে অত বড় দায়িত্বে থেকে সকলের চেস্টায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে পেরেছি বলে,আমাদের ইফতারের মধ্য দিয়ে চৌদ্দগ্রামের মানুষের বন্ধন আরো দৃঢ় হবে।”

প্রস্তাবিত বাজেট দুর্নীতিবান্ধব: টিআইবি

আমার ক্যাম্পাস, ঢাকা: ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটকে দুর্নীতিবান্ধব বাজেট বলে উল্লেখ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ টিআইবি। আজ মঙ্গলবার সংস্থাটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। তাদের দাবি, এই বাজেট মধ্যম ও ক্ষুদ্র আয়ের মানুষের ওপর করের বোঝা বাড়াবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাধারণ মানুষের করের অর্থে দুর্নীতিগ্রস্ত ও জালিয়াতিতে জর্জরিত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকিং খাতের অনৈতিক পুনর্মূলধনীকরণ, মধ্যম ও ক্ষুদ্র আয়ের করদাতাদের ওপর বৈষম্যমূলক করারোপ, কালোটাকা বৈধতার অসাংবিধানিক সুযোগের ধারাবাহিকতা, মেগা প্রকল্পে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ হ্রাসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনাহীন বাজেট দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করবে। এমন উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রস্তাবিত বাজেটের এসব অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।

এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘একদিকে ব্যাংকিং খাতে চলমান দুর্নীতি এবং অর্থ পাচার বন্ধে প্রস্তাবিত বাজেটে কোনো পদক্ষেপের প্রস্তাব তো করাই হয়নি, উল্টো দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকিং খাতে মূলধন বাবদ কর রাজস্ব হতে নতুন করে দুই হাজার কোটি টাকা অর্থায়নের প্রস্তাব করে জনগণের অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতিকেই প্রতিপালন এবং উৎসাহিত করা হলো। শুধু তা-ই নয়, স্পষ্টতই এটি ব্যাংকিং খাতে লুটপাট ও খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি স্থায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের এক অশুভ উদ্যোগ, তা-ও জনগণের অর্থেই। সীমিত ও স্বল্প আয়ের মানুষের সঞ্চয়ের ওপর অতিরিক্ত করারোপ করে তাদের জন্য বৈধ পথে সামান্যতম বাড়তি আয়ের পথও রুদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিত্তশালী ও ধনীদের তুলনায় মধ্যম ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য অতিরিক্ত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের বোঝা চাপানো হয়েছে; যা একদিকে যেমন বৈষম্যমূলক, অন্যদিকে তেমনি যেকোনো মাপকাঠিতেই রাজস্ব বৃদ্ধির টেকসই পন্থা হতে পারে না। এমন দুর্নীতি সহায়ক, অবিবেচনা প্রসূত ও অপরিণামদর্শী পথ থেকে সরে এসে শুদ্ধাচার ও জনবান্ধব রাজস্বনীতি অবলম্বন ও তা বাস্তবায়ন করতে হবে। রাজস্বের ভার নিরূপিত হতে হবে ক্রমবর্ধনশীলভাবে আয় ও সম্পদের ওপর, কর আদায়ের সহজতর পন্থার ওপর নয়।’

ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, ‘রাজস্ব কর্তৃপক্ষ প্রত্যাশিত পর্যায়ে করদাতার ব্যাপ্তি প্রসারের মাধ্যমে আয়কর বৃদ্ধি করতে ব্যর্থ হয়ে ক্রমাগতভাবে মূসকনির্ভর হয়ে পড়ছে। মূসকের চূড়ান্ত বোঝা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের বা সাধারণ জনগণের ওপর আরোপিত হতে বাধ্য। এর সঙ্গে মূল্যস্ফীতি ও অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি যুক্ত হয়ে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠায় অস্থিতিশীলতা ও ক্ষোভ বাড়বে।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকির মুখোমুখি জনগণের জন্য গঠিত বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ডের (বিসিসিটিএফ) জন্য ২০১৭-১৮ বছরের বাজেটে মাত্র ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা কমপক্ষে ৪০০ কোটি টাকা হওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক উৎস হতে প্রয়োজনীয় জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত না করে বিসিসিটিএফের বরাদ্দের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে ব্যর্থ হলে ইতিমধ্যে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠী আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে, যা কখনো কাম্য হতে পারে না। অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে সহায়ক সৌরবিদ্যুতের ওপর ১০ শতাংশ কর বসানো গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলেও উল্লেখ করা হয়।

এবারের বাজেটেও যেভাবে কালোটাকাকে বৈধতা দেওয়ার অসাংবিধানিক, অনৈতিক ও বৈষম্যমূলক সুবিধা অব্যাহত রাখা হয়েছে, তার জোর প্রতিবাদ জানিয়েছে টিআইবি। এ সুযোগ বন্ধ করাসহ সব বৈষম্যমূলক প্রস্তাব পুনর্বিবেচনা করার দাবি জানিয়েছে টিআইবি। সাধারণ মানুষের ওপর ঢালাওভাবে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বোঝা না চাপিয়ে রাজস্ব আয় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে জনকল্যাণে ব্যবহারের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ পুলিশের প্রশংসায় জাতিসংঘ

আমার ক্যাম্পাস, ঢাকা: পৃথিবীর যুদ্ধবিধ্বস্ত বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছে জাতিসংঘ। বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হকের সঙ্গে এক বৈঠকে এ প্রশংসা করেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জাঁ পিয়েরে ল্যাকরইক্স।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ হেড কোয়ার্টার্স। এতে বলা হয়, ওই বৈঠকটি সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে জাঁ পিয়ারে বলেন, পৃথিবীর যুদ্ধবিধ্বস্ত বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতা অত্যন্ত উঁচুমানের। তারা বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা এবং অনবদ্য অবদান রাখছেন।

এ সময় আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ বিশ্বশান্তি রক্ষায় তাদের যোগ্যতা ও দক্ষতা প্রমাণে সমর্থ হয়েছে। বর্তমানে হাইতি ও কঙ্গো মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের দুটি পূর্ণাঙ্গ নারী ইউনিট অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। বৈঠকে জাতিসংঘের চলমান ও ভবিষ্যৎ শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে নারী সদস্যসহ বাংলাদেশ পুলিশের অধিকহারে অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। এছাড়া আইজিপি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশকে সুযোগ ও সহযোগিতা প্রদানের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃপক্ষের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

বৈঠকে পুলিশ অ্যাডভাইজার ও ডিপার্টমেন্ট অব পিস কিপিং অপারেশনসের পরিচালক স্টিফেল ফেলার উপস্থিত ছিলেন।

সাভারে পাকিজা কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৩টি ইউনিট

আমার ক্যাম্পাস, ঢাকা: সাভারের পাকিজা ডাইং অ্যান্ড প্যাকেজিং কারখানায় ভয়াবহ আগুন লেগেছে। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশিচত করেছেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান। তিনি বলেন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কাজ করে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আগুনের লেলিহান শিখা মুহূর্তেই দোতলার একটি কাপড়ের গোডাউনেও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় নাইট শিফটের কাজ চলছিল বলে জানা গেছে।

তবে কতজন শ্রমিক ও কর্মচারি ভেতরে আছেন তা জানা যায়নি। তবে ঘটনার পর বেশ কয়েকজন আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাভারের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠাতে দেখা গেছে।

খবর পেয়ে সাভার ও আশুলিয়া, মীরপুর ও কালিয়াকৈর থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

সাভার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শাহজুর হোসেন মোবাইলফোনে জানান, কারখানার কেমিক্যাল গোডাউন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে এবং তা ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে শাড়ি কাপড়ের গোডাউনে ছড়িয়ে গেছে।

কারখানার শ্রমকিদের দেয়া তথ্যে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আগামী ঈদকে সামনে রেখে কয়েক লাখ শাড়ি প্রিন্টিংয়ের কাজ চলছিল।

কারখানাটি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে হওয়ায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সাভার মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রখেছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কারখানার ভেতরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

ব্যাংক লেনদেনে খরচ বাড়ছে

আমার ক্যাম্পাস,ঢাকা: আগামী জুলাই থেকে ব্যাংকে টাকা জমা রাখলে সরকার দেড়গুণ কর কাটবে। ব্যাংক থেকে নিজের টাকা তুললেও দেড়গুণ কর দিতে হবে। আবার ব্যাংক থেকে কেউ ঋণ নিতে গেলেও ঋণের সে অর্থ থেকে দেড়গুণ কর দিয়ে আসতে হবে সরকারকে।

‘আবগারি শুল্ক’ নামে এসব অর্থ কাটা হবে ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া ও তোলার সময়।

এছাড়া সঞ্চয়পত্রের সুদহারও কমানো হচ্ছে।

আগামী (২০১৭-১৮) অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের বাজেটে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন আবগারি শুল্কমুক্ত রাখা আছে। প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী অর্থবছরেও তা বহাল থাকছে। অর্থাৎ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন করলে কোনো কর দিতে হবে না।

২০ হাজার এক টাকা থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত জমা ও ঋণের ওপর চলতি বাজেটে ১৫০ টাকা আবগারি শুল্ক নিচ্ছে এনবিআর। তবে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের নুতন বাজেটে তা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হচ্ছে।

এক লাখ এক টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জমা ও ঋণের ওপর চলতি বাজেটে আবগারি শুল্ক ধরা আছে ৫০০ টাকা। আগামী অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ৮০০ টাকা করা হচ্ছে। বাড়ানো হয়েছে প্রায় দেড়গুণ।

১০ লাখ এক টাকা থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনের ওপর চলতি অর্থবছরে ১ হাজার ৫০০ টাকা নিচ্ছে সরকার। আগামী ১ জুলাই থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা নেয়া হবে।

সূত্র জানায়, এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনে চলতি অর্থবছরে সাত হাজার ৫০০ টাকা আবগারি শুল্ক আদায় করা হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ১২ হাজার টাকা আরোপ করা হচ্ছে।

একইভাবে পাঁচ কোটি এক টাকা থেকে আরও বেশি পরিমাণ অর্থ লেনদেনের ওপর বর্তমান আবগারি শুল্ক ১৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে আগামী অর্থবছরে ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করার প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সাগরের বাংলাদেশ অংশে ভারতীয় নৌ-বাহিনীর তল্লাশি, প্রতিক্রিয়া নেই

আমার ক্যাম্পাস ডেস্ক: বাংলাদেশের সীমানায় ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি জাহাজ উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে বলে ভারতীয়দের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ঘূর্নিঝড় মোরা কক্সবাজার উপকূল পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশ ত্যাগের একদিন পর এ অভিযানের খবর আসলো।

এই ঝড়ে সাত জনের মৃত্যুর খবর আসলেও বাংলাদেশিরা কেউ নিখোঁজ আছেন কি-না সে সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কোন কিছু জানাননি।

এখন ভারতীয় হাই কমিশনের তরফ থেকে বলা হচ্ছে চট্রগ্রাম থেকে ৯০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে অভিযান চলছে এবং তারা মনে করছে আরও লোকজন সমুদ্রে ভেসে থাকতে পারে।

ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেয়া তথ্য অনুযায়ী ভারতীয় নৌ-বাহিনীর জাহাজ আইএনএস সুমিত্রা এ অভিযান চালাচ্ছে মহেশখালী উপকূলে।

ওই পোস্টে জাহাজটিকে ত্রানবাহী হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতীয় হাই কমিশন দাবি করছে মহেশখালী এলাকায় একটি মৃতদেহসহ অন্তত ৩৩জনকে উদ্ধার করেছে আইএনএস সুমিত্রা। তাদের ধারণা এরা নৌকা ডুবে বা ঝড়ের তোড়ে বাড়িঘর থেকে ভেসে গিয়েছিলো।

জীবিত আরও অনেকে সাগরে ভেসে থাকতে পারে বলে উল্লেখ করে ফেসবুকের ওই পোস্টে বলা হয়েছে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে।

উদ্ধার অভিযান শেষে বা বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী সেখানে কার্যক্রম শুরু করলে ভারতীয় জাহাজটি ত্রাণ হস্তান্তরের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙ্গর করবে।

পোস্টটিতে অবশ্য উল্লেখ করা হয়েছে যে বাংলাদেশের নৌ-বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে এ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে ।

তবে বাংলাদেশ সরকার বা নৌ-বাহিনী কারও পক্ষ থেকে এ অভিযানের বিষয়ে কোন কিছু জানানো হয়নি।

সূত্র: বিবিসি

ইমরান এইচ সরকারকে আদালতে তলব

অামার ক্যাম্পাস, ঢাকা: ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদী মিছিল থেকে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারকে তলব করেছে আদালত।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রব্বানীর করা ওই মামলায় ইমরানের সঙ্গে মঞ্চের কর্মী সনাতন উল্লাসকেও ১৬ জুন আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

ঢাকার মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামান বুধবার এ আদেশ দেন বলে বাদীর আইনজীবী নোমান হোসাইন তালুকদার জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “বাদী আর্জিতে বলেছেন, গত ২৮ তারিখ মশাল মিছিলে প্রধানমন্ত্রীকে যে কটূক্তি করা হয়েছে, তাতে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে তিনি ক্ষুব্ধ, অপমানিত।

“যেহেতু বাদী বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামী লীগের আদর্শ ধারণ করেন এবং আওয়ামী লীগের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেই কারণে বাদীর নিজেরও মানহানি হয়েছে।”

গণজাগরণ মঞ্চের ওই মিছিল থেকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠার তিন দিন পর সোমবার মুখপাত্র ইমরানকে পেটানোর হুমকি দিয়েছিলেন ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রব্বানী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগে একটি মিছিল পরবর্তী সমাবেশে সেদিন তিনি বলেন, “এই ইমরান এইচ সরকারকে শাহবাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছি।

“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ইমরান এইচ সরকার ও সনাতনকে (সংস্কৃতিকর্মী) যেখানেই দেখা হবে, সেখানে কুত্তার মতো পেটানো হবে।”

এর প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার ফেইসবুকে এক পোস্টে ইমরান দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মিছিলে কোনো কটূক্তি করা হয়নি।

“সমালোচনার সাথে কটূক্তিকে গুলিয়ে ফেলার এই অপচেষ্টা মানসিক দৈন্যতারই প্রকাশ।”

ইমরান লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করা হয়েছে বলে যে অজুহাত তারা দিচ্ছে, সেটি সত্যের অপলাপ। গণজাগরণ মঞ্চ কোনো নেতানেত্রীর বিরুদ্ধে কোনো বক্তৃতা বিবৃতিতে অশোভন ভাষা ব্যবহার করে না। জাতীয় নেতৃবৃন্দ তো দূরের কথা, কোনো বৈধ রাজনৈতিক দলের আঞ্চলিক অথবা মাঝারি সারির কোনো নেতার সম্পর্কে কথা বলার সময়ও আমরা অসৌজন্যমূলক কিছু বলি না।”

‘বয়সে প্রবীণ ও একজন নারী’ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ ‘স্পষ্টতই বানোয়াট ও হাস্যকর’ বলে ওই পোস্টে লিখেছেন ইমরান এইচ সরকার।

ঘূর্ণিঝড় মোরা: কক্সবাজার-রাঙামাটিতে ৭ জনের মৃত্যু

ঘূর্ণিঝড় মোরার তাণ্ডবে আতঙ্কিত হয়ে ও গাছ চাপা পড়ে কক্সবাজার ও রাঙামাটি জেলায় ৭ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে পাঁচজন ও রাঙামাটিতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদনে।

কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’। মঙ্গলবার ভোর ৪টায় সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে ঝড়ো ও দমকা হাওয়ায় তাণ্ডবলীলা শুরু করে বেলা ১২টা নাগাদ কুতুবদিয়া দিয়ে শেষ করেছে এর প্রস্থান।

এসময় থেমে থেমে ৮০ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে আঘাত হানে মোরা। বাতাসের তোড়ে সাগর উত্তাল থাকলেও সকালে সাগরে ভাটা থাকায় ব্যাপক প্রাণহানী থেকে বেঁচে গেছেন কক্সবাজারবাসী।

কিন্তু এরপরও মোরার তাণ্ডবে ঝড়ো ও দমকা হাওয়ায় বিধ্বস্ত হয়ে গেছে কক্সবাজার উপকূলের সোয়ালাখেরও বেশি কাঁচা ও আধাপাকা বাড়ি-ঘর।

উপড়ে পড়েছে অগণিত গাছপালা। ব্যাপকহারে বিদ্যুতের খুটি ভেঙে পড়ায় পুরো কক্সবাজারে বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া, মহেশখালী, পেকুয়া, রামু, উখিয়া ও টেকনাফে বাড়ি-ঘর বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্টমার্টিনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। এসময় ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতায় আতঙ্কিত হয়ে এবং ঘরের চালায় গাছ পড়ে কক্সবাজারে মারা গেছেন নারীসহ ৫ জন।

তারা হলেন, কক্সবাজার পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের ৬নং জেডিঘাট এলাকায় বদিউল আলমের স্ত্রী মরিয়ম বেগম (৫৫), চকরিয়ার বড়ভেওলা এলাকার মৃত নূর আলম সিকদারের স্ত্রী সায়েরা খাতুন (৬৫), একই উপজেলার ডুলাহাজারার পূর্ব জুমখালী এলাকার আবদুল জব্বারের ছেলে রহমত উল্লাহ (৫০), পেকুয়া উপজেলার উপকূলীয় উজানটিয়া ইউনিয়নের নতুন ঘোনা পেকুয়ারচর এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে আবদুল হাকিম সওদাগর (৫৫), এবং সদরের ইসলামাবাদ ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের শাহাজাহানের মেয়ে শাহিনা আকতার (১০)। এসময় আহত হয়েছে প্রায় শতাধিক লোকজন। তাদের জেলা সদর ও উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

রাঙামাটি প্রতিনিধি জানান, ঘূর্ণিঝড় মোরার ভয়াবহতায় বসতঘরের ওপর গাছ চাপা পড়ে রাঙামাটি শহরে এক স্কুলছাত্রী ও অপর এক নারী নিহত হয়েছেন।

নিহত স্কুলছাত্রীর নাম জাহিদা সুলতানা মাহিমা (১৪) এবং অপর নারী হাজেরা বেগম (৪৫)। রাঙামাটি সদর হাসপাতালে তাদের নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আবু তৈয়ব মৃত ঘোষণা করেন।

সকালে ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে শহরের ভেদভেদী ও আসামবস্তী এলাকায় বসত ঘরের ওপর গাছের ডাল ভেঙে পড়লে গাছ চাপা পড়ে ঘটনাস্থলে দ্জুনই মারা যায়। এছাড়া জুনায়েদ নামে এক শিশু আহত হয়েছে। তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় মোরা আঘাত হানে। তিন ঘণ্টাব্যাপী ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে রাঙামাটি শহরের দুই শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।

বসতঘর ও রাস্তার ওপর ভেঙে পড়েছে গাছ পালা। ক্ষতি সাধিত হয়েছে বৈদ্যুতিক লাইন কেবিল টিভির লাইন ও টেলিফোন লাইন ও মোবাইল টাওয়ারের বৈদ্যুতিক লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রাঙামাটি শহর বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

দুর্বল হয়ে পড়ছে ‘মোরা’

ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছে ঘূর্ণিঝড় মোরা। তবে মহাবিপদ সংকেত আরো কয়েক ঘণ্টা থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টায় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ।

তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঘূর্ণিঝড় মোরা বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূল অতিক্রম করা শুরু করেছিল। এটা অতিক্রম করেছে। এবং ধীরে ধীরে এর শক্তি কমছে (দুর্বল হয়েছে পড়ছে)।
তিনি আরো বলেন, ‘সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় আরো চার পাঁচ ঘণ্টা আমরা হয়তো মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলব। তারপর স্থানীয় বিপদ সংকেত দেখাতে বলব।’

ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি গতির বাতাস নিয়ে মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে কুতুবদিয়ার কাছ দিয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম শুরু করে ঘূর্ণিঝড়টি। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এটি কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করে চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হয়। এটি আরো উত্তরে ভারতের মনিপুরের দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে স্থলনিম্নচাপে পরিণত হবে। মোরার প্রভাবে জড়ো বাতাস ও ভারি বৃষ্টিতে কক্সবাজার উপকূলের শত শত ঘরবাড়ি ধসে গেছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে এবং গাছ পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। জলোচ্ছ্বাসের ফলে প্লাবিত হয়েছে বহু এলাকা।

উপকূলীয় এলাকায় ৫ ফুটের বেশি উচ্চতার জলোচ্ছাসের সম্ভাবনা

ঢাকা: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলের দিকে অগ্রসরমান ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে। এরই মধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সাবাজার সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর এবং মংলা বন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উপকূলীয় এলাকায় স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছাস হতে পারে। এ জন্য উপকূলের বাসিন্দাদের নিকটবর্তী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় অনুরোধ জানানো হয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।

এদিকে জানা যাচ্ছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে লোকজনকে সতর্ক করা অব্যাহত রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ প্রভাবে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরে সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিমান উঠানামা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১২ নম্বর বিশেষ বুলেটিনে বেলা হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ আরো সামান্য উত্তরদিকে অগ্রসর হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে একই এলাকায় (১৮.৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১.৩ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছিল।

এটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ২৮০ কিমি দূরে অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়টি আরো ঘণীভূত ও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে মঙ্গলবার সকাল নাগাদ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টি ২০ জেলায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ৪ থেকে ৫ লাখ লোককে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

image missing image missing